ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬ , ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশিদের জোরপূর্বক যুদ্ধে পাঠিয়েছে রাশিয়া, প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ  ৩১ অক্টোবর এইচএসসির ফলাফল প্রকাশ বর্তমান সরকার স্বাস্থ্যসেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে: রাষ্ট্রপতি ঢাকা-চট্টগ্রামের একাংশ হঠাৎ বিদ্যুৎহীন প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরার পর আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত: উপদেষ্টা জাহেদ জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী সীতাকুণ্ডে লরিচাপায় নারী-শিশুসহ নিহত ৫ হুথিদের ১০০ কোটি ডলার দিতে চায় সৌদি আরব অংশীদারিত্ব আরও জোরদারে প্রতিশ্রুতি ২ প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রায়ত্ত ৩ ব্যাংকে নতুন এমডি সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকরাই স্বৈরাচারের পতনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন: রিজভী আইসিটি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঢাকার কেরানীগঞ্জে প্লাস্টিক কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে, নিহত ১ সব বিভাগে ৮টি ক্যান্সার হাসপাতালের কাজ চলছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিজিবি মোতায়েন সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না পুলিশ: আইজিপি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয়ভাবে কাউকে প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার সুযোগ নেই: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম পুলিশের ৩ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি, যোগদান না করলে ‘স্ট্যান্ড রিলিজ’ ঢাকা থেকে দাম্মাম ও রিয়াদগামী ফ্লাইট স্থগিত ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে সেন্টমার্টিন

সরকারি স্কুলে ভর্তিতে বিপুল আবেদন জমা পড়লেও বেসরকারিতে তেমন সাড়া মেলেনি

  • আপলোড সময় : ০১-১২-২০২৪ ০২:২৫:০০ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০১-১২-২০২৪ ০২:২৫:০০ অপরাহ্ন
সরকারি স্কুলে ভর্তিতে বিপুল আবেদন জমা পড়লেও বেসরকারিতে তেমন সাড়া মেলেনি
সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তির আবেদনের সময়সীমা শেষ হয়েছে। শনিবার (৩০ নভেম্বর) বিকাল ৫টায় আবেদনের সময় শেষ হয়ে যায়। এতে দেখা গেছে, সরকারি স্কুলে ভর্তিতে বিপুল আবেদন জমা পড়লেও বেসরকারিতে তেমন সাড়া মেলেনি।

গত ১২ নভেম্বর থেকে অনলাইনে এ আবেদন শুরু হয়। ১৮ দিনে সরকারি বেসরকারি মিলিয়ে মোট ৯ লাখ ৬৫ হাজার ৭০৪ জন শিক্ষার্থী ভর্তির আবেদন করেছে। এরমধ্যে সরকারি স্কুলে ভর্তির জন্য আবেদন পড়েছে ৬ লাখ ২৫ হাজার ৯০৩টি আর বেসরকারি স্কুলে ৩ লাখ ৩৯ হাজার ৮০০টি। জমা পড়া আবেদন বিশ্লেষণ করে এমনটিই জানা গেছে। ভর্তি আবেদন কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

মাউশির মাধ্যমিক শাখা থেকে শেষ পর্যন্ত পাওয়া তথ্য বলছে, সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে সরকারি স্কুলগুলোতে। সরকারি স্কুলে ৬ লাখ ২৫ হাজার ৯০৩টি আবেদন পড়েছে। অন্যদিকে ১০ লাখের বেশি আসন থাকার পরও বেসরকারি স্কুলে আবেদন পড়েছে মাত্র ৩ লাখ ৩৯ হাজার ৮০০টি।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মাধ্যমিক শাখার উপপরিচালক মোহাম্মদ আজিজ উদ্দিন বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বলেন, সারাদেশে ৬৮০টি সরকারি স্কুলের শূন্য আসনের বিপরীতে প্রায় ৬ গুণ আবেদন এসেছে। তবে বেসরকারিতে ৬৬ শতাংশ আসনেই আবেদন জমা পড়েনি।

তিনি আরও বলেন, সরকারি স্কুলগুলোতে ১ লাখ ৮ হাজার ৭১৬টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছেন ৬ লাখ ২৫ হাজার ৯০৪ জন। একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ পাঁচটি স্কুল চয়েস দিতে পেরেছেন। এই হিসাবে তারা মোট চয়েস দিয়েছেন ৯ লাখ ৫০ হাজার ৭৩১টি স্কুল।

অপরদিকে মহানগর ও জেলা সদর পর্যায়ের বেসরকারি ৩ হাজার ১৯৮টি স্কুলের প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তিতে ১০ লাখ ৭ হাজার ৬৭৩ আসনের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে মাত্র ৩৪ শতাংশ। ঢাকা মহানগরীর ভর্তি কমিটির সদস্য সচিব আজিজ জানান, শনিবার বিকাল ৪টা ৩২ মিনিট পর্যন্ত বেসরকারিতে ৩ লাখ ৩৯ হাজার ৮০০ শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। তারা মোট ৬ লাখ ১৩ হাজার ৭টি স্কুল চয়েস দিয়েছেন। শেষ সময়ের পর নতুন করে সময় বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সরকারি এবং মহানগর ও জেলা সদর পর্যায়ের বেসরকারি মোট ৩ হাজার ৮৭৮টি স্কুলের ১১ লাখ ১৬ হাজার ৩৮৯টি শূন্য আসনে ভর্তির জন্য গত ১২ নভেম্বর অনলাইনে আবেদন শুরু হয়, যা চলে চলে শনিবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত। ঢাকার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আগামী ১২ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয়ভাবে লটারির মাধ্যমে ভর্তিচ্ছুদের স্কুল নির্ধারণ হবে।

১১০ টাকা ফি দিয়ে সরকারি ও বেসরকারি স্কুলের জন্য আলাদা আলাদা আবেদন করতে হয়েছে শিক্ষার্থীদের। প্রতিটি আবেদনে শিক্ষার্থীরা পাঁচটি স্কুল চয়েস দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়। প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য কোনো শিক্ষার্থীর বয়স ছয় বছরের বেশি হওয়ার শর্ত ছিল। তবে কাঙ্ক্ষিত শিক্ষাবর্ষের ১ জানুয়ারি শিক্ষার্থীর সর্বনিম্ন বয়স পাঁচ বছর এবং ৩১ ডিসেম্বর তারিখে সর্বোচ্চ বয়স সাত বছর হলেও আবেদন করা গেছে।

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য

বাংলাদেশিদের জোরপূর্বক যুদ্ধে পাঠিয়েছে রাশিয়া, প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ

বাংলাদেশিদের জোরপূর্বক যুদ্ধে পাঠিয়েছে রাশিয়া, প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ